Pages

20 August 2016

VPN এর পূর্ণ রূপ- Virtual Private Network. সোজা বাংলায়, VPN একটা কাল্পনিক ‘Tunnel’ যার মাধ্যমে নিরাপদে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। এই ‘Tunnel’--এর বাস্তব কোন অস্তিত্ব নেই, এটি মূলত কাল্পনিক একটা প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে বোঝানো হচ্ছে যা দিয়ে ইন্টারনেটে নিরাপদে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। ইন্টারনেট মূলত উন্মুক্ত তথ্য আদান প্রদানের জায়গা। যেহেতু এটি পাবলিক নেটওয়ার্ক অর্থাৎ, পৃথিবীর সবাই সংযুক্ত তাই এখানে সরাসরি তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করায় বেশ ঝুঁকি আছে। এই ঝুঁকি এড়ানোর জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজের ব্যক্তিগত বা প্রাইভেট নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হওয়ার নিরাপদ পদ্ধতিই VPN। এই পদ্ধতিতে ব্যবহারকারী এবং প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার জন্য ইন্টারনেটে একটি কাল্পনিক সুড়ঙ্গ তৈরী হয়।

28 June 2016

বিটকয়েন


বিটকয়েন: ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটকলের মাধ্যমে লেনদেনের সাংকেতিক মুদ্রা। বিটকয়েনের সমস্ত লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় অনলাইনে; একটি উন্মুক্ত সোর্স সফটওয়্যারের মাধ্যমে অথবা কোন ওয়েব সাইটের মাধ্যমে। বিটকয়েন লেনদেনের জন্য কোন ধরনের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন পড়ে না। ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এই মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন। বিটকয়েনের লেনদেন হয় পিয়ার টু পিয়ার বা গ্রাহক থেকে গ্রাহকের মধ্যে; কম্পিউটারে বা মোবাইলে।
পিয়ার-টু-পিয়ার যোগাযোগ ব্যাবস্থায় যুক্ত থাকা একাধিক কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মধ্যে বিটকয়েন লেনদেন হলে এর কেন্দ্রীয় সার্ভার ব্যবহারকারীর লেজার হালনাগাদ করে দেয়। একটি লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে নতুন বিটকয়েন উৎপন্ন হয়।
আজকের দরে ১ বিটকয়েন সমান ৬২৮.৬ ডলারবা ৫৭০ ইউরো।
BTC বা বিটকয়েনের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্রতম একক, বিটকয়েনের দশকোটি ভাগের এক ভাগকে (০.০০০০০০০১) বলা হয় ১ সাতোশি, আবার ১০০ সাতোশিকে বলা হয় ১ বিট।
বিটকয়েন এর ক্ষুদ্র এককঃ Intermediate Values
100 Satoshi  = 1 Bit / μBTC (you-bit)
100000 Satoshi  = 1 mBTC (em-bit)
1000000 Satoshi  = 1 cBTC (bitcent)
বিটকয়েনের ধারনার প্রকৃত জনক সাতোশি নাকামোতোর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এই নামটা রাখা হয়েছে।
২১৪০ সাল পর্যন্ত নতুন সৃষ্ট বিটকয়েনগুলো প্রত্যেক চার বছর পরপর অর্ধেকে নেমে আসবে। ২১৪০ সালের পর ২১ মিলিয়ন বিটকয়েন তৈরী হয়ে গেলে আর কোন নতুন বিটকয়েন তৈরী করা হবে না।
এবার, আগে একটা বিটকয়েন অ্যাড্রেস তৈরী করে নিন।
সেজন্য আপনার দরকার হবে একটা ভার্চুয়াল ওয়ালেটের।
কয়েনবেইজ ভার্চুয়াল ওয়ালেটের একটা অন্যতম সাইট, ঠিকানা: coinbase.com
এখানে আপনার ইমেইল এ্যড্রেস আর কাংক্ষিত পাসওয়ার্ড লিখে সাইন আপ করলে আপনার কাছে একটা ই-মেইল যাবে। সেই ইমেইল কনফার্ম করেন। তারপর কয়েনবেইজের বিটকয়েন অ্যাড্রেস ট্যাবে গিয়ে Create New Address এ ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন আপনার একটি বিটকয়েন অ্যাড্রেস। মনে রাখবেন: বিটকয়েন এড্রেস বারংবার পাল্টাবেননা একটি এড্রেস দিয়েই সব জায়গায় কাজ করাই ভাল।
আপনি এইমাত্র যে একাউন্টটা খুললেন সেটা একটা অনলাইন ব্যাংক একাউন্ট ওইটি দিয়ে বিটকয়েন লেনদেন করতে পারবেন। ব্যাস ওয়ালেটও তৈরি।
পাশে Bitcoin  নামে একটা তালিকা দেওয়া হলো, এ সব সাইট থেকে নিয়মিত বিটকয়েন/সাতোশি আয় করতে পারবেন।








যাদের ওকেপে অ্যাকাউন্ট আছে তারা খুব সহজেই বিটকয়েন আয় করতে পারবেন।

24 June 2016

ফ্রিলেন্স সম্পর্কে কিছু কথা

ফ্রিলেন্স প্রফেশন হিসেবে বেছে নেবার কারন: এখানে সুযোগ রয়েছে, দেশের বাজার ছাড়িয়ে বিশ্ব বাজারে নিজের দক্ষতা যাচাই ও প্রমাণের সে সাথে অর্থ উপার্জনের অপার সম্ভাবনা।
ফ্রিলেন্স কাজ করবার জন্য শুধু ভালো কাজ জানলেই চলে না, পাশাপাশি জানতে হবে নিজের মার্কেটিং করা বা নিজের গুন-মান বিক্রয় করতে জানতে হবে। জনপ্রিয় আউটসোর্সিং প্লাটফর্ম গুলোতে সাইন আপ করলেই হলো না, সাথে সাথে অবশ্যই নিজের কাজের প্রসার বাড়াতে হবে। নিজের উল্লেখযোগ্য কাজগুলো নিয়ে একটি পোর্টফলিও বানাতে হবে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনলাইন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে।
ফ্রিল্যান্সিং মানে oDesk, Freelancer বা Elance-এর মতো আউটসের্সিং প্রাতষ্ঠান গুলোর মধ্যস্ততায় বিশ্বময় কাজের চেষ্টা করা এবং কাজ করা। ওগুলো আসলে একেকটা অস্থায়ী চাকুরীর মার্কেটপ্লেস বা জব মার্কেট।
এখানে মূলত বিড করে কাজ নিতে হয়, যেহেতু যারা এখানে কাজ করে টাকা নেয় তারা এখান ওয়ার্কার (কর্মচারী), যারা কাজ করিয়ে টাকা দেয় তারা এখানে বায়ার; তাই বায়ারের কথা মত কাজ করতেই হয়।
সবাই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে মূলত স্বাধীনভাবে কাজ করবার জন্যই, যখন খুশি যতক্ষণে খুশী কাজ শেষ করা যাবে, কিন্তু আউটসোসিং মার্কেটে আসলেই কোন স্বাধীনতা থাকতে পারে না, যে প্রজেক্টেই কাজ করুন না কেন, হোক Hourly বা Fixed প্রাইস; সে কাজের একটা নির্দিষ্ঠ সময় বাধা থাকবেই, ঠিকমত কাজ না দিতে পারলে বায়ারকে জবাব দিতে হবে। আবার প্রজেক্ট শেষে ফিডব্যাক (১-৫) রেটিংতো আছেই। তা খারাপ হলে পরের প্রজেক্ট কাজ পাওয়া কষ্টকর।

17 June 2016

TUS এটিকে social network আর আয়ের মাধ্যমও বটে তবে একে শুধুই social network হিসাবে ব্যাবহার করুন এবং বিনিময়ে কিছু বাড়তি আয় করুন।

Tsu আপনার post, share, comment, like, friends, followersদের কারনেই আপনাকে ডলার দেবে, ওরা বলছে।
Tsunami Facebook-এর মতই একটা social network বা social media network তবে পৃথকতা হলো, post বা share বা অন্যান্য সামাজিক ব্যবহারের জন্য Tsunami টাকা দেয়।
Tsunami-তে আপনি কিভাবে টাকা পাবেন?

11 June 2016

Clixsense সাইটে প্রাথমিক ভাবে কাজ শুরু করতে পারেন



অনলাইনে টাকা আয় করার জন্য আজকাল বিভিন্ন জন বিভিন্ন সাইটে কাজ করছেন, তবে দুঃখজনক ঘটনা হলো যে সবাই সব সাইট থেকে পেমেন্ট পাচ্ছে না। এখন, এমন একটা সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব যেখান থেকে বঞ্চিত হবার সম্ভাবনা নেই। PTC (Paid To Click) হল নতুন লোকের জন্য আয় করবার সহজতম পথ। Clixsense একটা বিশ্বাসযোগ্য পিটিসি সাইট।

অনলাইনে টাকা আয় করবার অনেক পদ্ধতি মধ্যে একটা PTC অর্থ Paid To Click। এই PTC নিয়ে বাংলাদেশে কিছু নেতিবাচক ধারণা প্রচলিত আছে (Dolencer/skylencer এর কারনে বাংলাদেশের মানুষজণ মনে করে  PTC সাইট মানেই ধোঁকা বাজি)। তবে PTC সাইট থেকে আয় করবার  পদ্ধতি খুবই জনপ্রিয় এবং সব চেয়ে সহজ।  PTC শুনে ভয় পেয়ে যাবেন না, শুধু আসল সাইট চিনে ধৈর্য ধরে  কাজ করতে পারলে মাসে ৩,০০০ টাকা থেকে শুরু করে আরো অনেক টাকা আয় করা সম্ভব। clixsense এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১ কোটির কাছাকাছি।
প্রতিদিন নতুন নতুন সাইট অনলাইন এ আসে, এদের মধ্যে অসৎ গুলো কয়েক মাস কাজ করেই স্ক্যাম  করে চলে যায়। সেহেতু নতুন সব সাইট স্ক্যাম ধরে নিয়ে নতুন কোন সাইট এ কাজ না করা বুদ্ধিমানের কাজ। যে সব সাইটের বয়স ৫ বছর বা তার বেশী শুধু সেই সমস্ত সাইট, গত ৫ বছর যাবৎ কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই যেহেতু পেমেন্ট দিয়ে যাচ্ছে, তাই ধরা যায় ওরা স্ক্যাম নয়। এখানে clixsense-এর ptc-investigation রিপোর্ট পড়ে দেখুন।